← ১৬ ধরন

রক্ষক দল · ESTJ

পরিচালক

যেখানে বিশৃঙ্খলা, সেখানে আপনি নিয়ে আসেন ব্যবস্থা।

সকাল নয়টা। ক্যালেন্ডারে টিক, ফাইল সারি সারি।

সংক্ষেপে

কোনো কাজ আটকে আছে, কেউ জানে না কে কী করবে, এমন অবস্থায় আপনি সাধারণত চুপ করে বসে থাকতে পারেন না। আপনি দায়িত্ব ভাগ করেন, সময় বেঁধে দেন, আর খেয়াল রাখেন কাজটা শেষ হলো কি না। বিয়ের অনুষ্ঠান হোক বা অফিসের বার্ষিক প্রতিবেদন, আপনার হাতে পড়লে সেটা সময়মতো দাঁড়িয়ে যায়। মানুষ আপনার কাছে আসে, কারণ জানে আপনি সমস্যা নিয়ে আফসোস করে সময় নষ্ট করবেন না, একটা ব্যবস্থা বের করবেন। ঝামেলার সময় আপনার শান্ত, পরিষ্কার নির্দেশনা অনেকের দুশ্চিন্তা কমিয়ে দেয়।

আপনি চলেন বাস্তব তথ্য আর যুক্তি ধরে। কোনটা কাজ করে আর কোনটা করে না, তা নিয়ে আপনার মত স্পষ্ট, আর সেটা বলতে আপনি দ্বিধা করেন না। নিয়ম মানেন, কারণ বিশ্বাস করেন নিয়ম ছাড়া কোনো দল বা পরিবার ঠিকমতো চলে না, আর সেই নিয়ম আপনি নিজের ওপরও খাটান। কেউ কথা দিয়ে কথা না রাখলে আপনি চুপচাপ মেনে নেন না, আবার নিজের ভুল হলে সেটাও খোলাখুলি স্বীকার করেন। এই দৃঢ়তা অনেকের কাছে কড়া মনে হতে পারে। তবু আপনার সততা আর পরিশ্রমের কারণে মানুষ শেষ পর্যন্ত আপনাকে সম্মান করে। নিজের মত দেওয়ার পাশাপাশি অন্যের অনুভূতির জন্য একটু জায়গা রাখলে আপনি আরও ভালো নেতা হয়ে ওঠেন।

দায়িত্ব নিতে প্রস্তুতস্পষ্ট ও সরাসরি কথানিয়ম ও ন্যায্যতায় বিশ্বাসদ্রুত সিদ্ধান্তদল গুছিয়ে চালানো

আপনার শক্তি

গুছিয়ে চালানোর দক্ষতা

ছড়ানো-ছিটানো কাজকে আপনি পরিষ্কার পরিকল্পনায় সাজাতে পারেন। কে কী করবে, কবে করবে, সব আপনার মাথায় থাকে।

সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস

অন্যরা যখন দ্বিধায় ঘুরপাক খায়, আপনি তথ্য দেখে সিদ্ধান্ত নেন আর তার দায়ও নিজের কাঁধে নেন।

সরাসরি সততা

আপনি মনের কথা ঘুরিয়ে বলেন না। কেউ আপনার মত চাইলে জানে, সত্যিকারের মতটাই পাবে।

কর্মঠ ও নির্ভরযোগ্য

আপনি নিজেও খাটেন, তাই অন্যদের কাছে কাজ চাওয়ার নৈতিক জোর আপনার থাকে। যা বলেন, নিজে তা করে দেখান।

ন্যায্যতার বোধ

আপনি চান নিয়ম সবার জন্য সমান হোক। পক্ষপাত বা অন্যায় সুবিধা আপনি সহজে মেনে নেন না, নিজের লোকের বেলাতেও না।

সমাজে সক্রিয়

মহল্লার কমিটি, স্কুলের অভিভাবক সভা বা পরিবারের বড় কোনো আয়োজন, দায়িত্ব নিতে আপনি এগিয়ে আসেন। কাজ শেষে টাকাপয়সার হিসাবটাও সবার সামনে পরিষ্কার রাখেন।

যেখানে সতর্ক থাকবেন

কথায় কাঠিন্য

সোজাসুজি বলতে গিয়ে আপনার কথা কখনো কখনো কড়া শোনায়। কী বলছেন তার সাথে কীভাবে বলছেন, মানুষ সেটাও মনে রাখে।

অন্যের পদ্ধতিতে অধৈর্য

আপনার পদ্ধতি ভালো কাজ করে বলে অনেক সময় মনে হয় সেটাই একমাত্র ঠিক পথ। অন্যের ভিন্ন পথকেও একটু সুযোগ দিন।

অনুভূতিকে কম গুরুত্ব দেওয়া

কাজের চাপে আপনি মানুষের মন খারাপকে বাড়তি ঝামেলা মনে করতে পারেন। অথচ মনোবল ভাঙলে কাজও পিছিয়ে যায়।

সব নিয়ন্ত্রণে রাখার ঝোঁক

কাজ নিজের মতো না হলে আপনি নিজেই হাতে তুলে নেন। এতে অন্যরা দায়িত্ব নিতে শেখে না, আর আপনার ওপর চাপ বাড়ে।

বিশ্রামে অস্বস্তি

ছুটির দিনেও আপনার মাথায় কাজের তালিকা ঘোরে। থামতে না জানলে শরীর আর সম্পর্ক দুটোই চাপে পড়ে।

পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট

আপনার নেতৃত্ব পদ বা উপাধির জন্য অপেক্ষা করে না। ক্লাসে হয়তো আপনিই ক্যাপ্টেন ছিলেন, কিংবা চাচাতো-মামাতো ভাইবোনদের পিকনিকের আসল আয়োজক। ধরুন বিয়েবাড়িতে বাবুর্চি দেরি করছে, ডেকোরেটরের লোক ভুল জায়গায় প্যান্ডেল বাঁধছে, আর সবাই একে অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। আপনি তখন দুটো ফোন করেন, তিনজনকে তিনটা কাজ দেন, আর আধা ঘণ্টার মধ্যে অবস্থা সামলে আসে। কেউ কেউ এটাকে কর্তৃত্ব ফলানো ভাবতে পারেন। আপনার উদ্দেশ্য আসলে সাদামাটা: কাজটা ঠিকভাবে, ঠিক সময়ে শেষ হোক, আর কারও যেন ভোগান্তি না হয়।

বিয়ে ও দাম্পত্য, পরিবার, ক্যারিয়ার, পড়াশোনা, চাপ সামলানো, ইন্টারভিউয়ের কৌশল আর কাদের সাথে মেলে

পড়তে লগইন করুন

আপনি কি পরিচালক? ১০ মিনিটে নিশ্চিত হয়ে নিন।

শুরু করুন