← ১৬ ধরন

রক্ষক দল · ESFJ

সমন্বয়ক

আপনি থাকলে আয়োজন জমে ওঠে, মানুষ কাছাকাছি আসে।

দাওয়াতের পাটি পাতা, প্রতিটি প্লেট সাজানো।

সংক্ষেপে

পরিবারের বিয়ে, অফিসের পিকনিক বা বন্ধুর জন্মদিন, যেকোনো আয়োজনে কাকে দাওয়াত দিতে হবে, খাবার কোথা থেকে আসবে, কোন খালা কার পাশে বসলে স্বস্তিতে থাকবেন, এসব আপনার মাথায় আপনাআপনি সাজানো থাকে। মানুষের মাঝে থাকতে আপনি ভালোবাসেন। ভিড়ের মধ্যেও আপনার চোখ খুঁজে নেয় কে কোণে একা দাঁড়িয়ে আছে, তারপর তাকে আলাপে টেনে আনেন। অনেক পরিবারে আপনার মতো মানুষই সেই সুতো, যা দূরে থাকা ভাইবোন, খালা-ফুপু আর পুরোনো বন্ধুদের বছরের পর বছর জুড়ে রাখে। আপনি ফোন না করলে হয়তো অনেকের সাথে অনেকের কথাই হতো না।

আপনার যত্ন হাতে-কলমে। কেউ অসুস্থ শুনলে পরদিনই হয়তো রান্না করা খাবার নিয়ে তার বাসায় হাজির হন। বড়দের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলা বা দাওয়াত পেলে সময়মতো যাওয়ার মতো ভদ্রতাকে আপনি গুরুত্ব দেন, কারণ আপনার মতে এগুলোই মানুষকে একসাথে বেঁধে রাখে। কেউ আপনার খাটুনি খেয়াল করে একটা ধন্যবাদ দিলে পুরো দিনটা ভালো যায়। আবার খোঁচা দেওয়া একটা মন্তব্য অনেকক্ষণ মনে বিঁধে থাকে। তাই কখনো কখনো সবার মন রাখতে গিয়ে নিজের মতকে পেছনে সরিয়ে রাখেন। আপনার উষ্ণতা অনেকের আশ্রয়। সেখানে নিজের জন্যও একটু জায়গা রাখুন।

সবাইকে কাছে টানাআতিথেয়তায় আনন্দদায়িত্বশীল আয়োজককে বাদ পড়ল খেয়াল রাখাভদ্রতা ও রীতির প্রতি শ্রদ্ধা

আপনার শক্তি

মানুষকে এক করা

ঝগড়া করে আলাদা হয়ে যাওয়া আত্মীয় বা পুরোনো বন্ধুদের আবার এক টেবিলে বসাতে আপনি অনেক সময় সফল হন।

দক্ষ আয়োজক

বড় অনুষ্ঠানের হাজারটা খুঁটিনাটি, বাজেট থেকে মেন্যু পর্যন্ত, আপনি গুছিয়ে সামলাতে পারেন, আর তা হাসিমুখেই।

মানুষের প্রয়োজন বোঝা

কে অস্বস্তিতে আছে, কে একা বোধ করছে, আপনি দ্রুত টের পান আর তাকে আলাপে টেনে নেন।

দায়িত্বশীল ও সময়নিষ্ঠ

কথা দিলে আপনি সময়মতো কাজ শেষ করেন, কারণ জানেন অন্যরা আপনার ওপর ভরসা করে আছে।

উষ্ণ যোগাযোগ

আপনি সহজে আলাপ জমাতে পারেন। একদম নতুন মানুষও আপনার সাথে দুই মিনিট কথা বলে স্বস্তি পায়।

বিশ্বস্ততা

পরিবার, বন্ধু বা প্রতিষ্ঠান, যাদের আপনি আপন মনে করেন, তাদের পাশে আপনি কঠিন সময়েও থেকে যান।

যেখানে সতর্ক থাকবেন

প্রশংসার ওপর নির্ভরতা

আপনার পরিশ্রম কেউ খেয়াল না করলে আপনি গভীরভাবে কষ্ট পান। নিজের কাজের মূল্য নিজে বুঝতে শিখলে এই কষ্ট অনেকটা কমে।

দ্বন্দ্ব এড়ানো

অশান্তি এড়াতে আপনি অনেক সময় জরুরি কঠিন কথাটাও বলেন না। ফলে সমস্যা চাপা পড়ে থাকে, মেটে না।

"লোকে কী বলবে" চিন্তা

অন্যের মতামত আপনার সিদ্ধান্তকে অনেক বেশি প্রভাবিত করতে পারে, এমনকি নিজের জীবনের বড় সিদ্ধান্তেও।

অন্যের ব্যাপারে বেশি জড়ানো

আপনি সাহায্য করতে চান, কিন্তু কখনো কখনো না চাইতেই পরামর্শ দিয়ে ফেলেন, যা অন্যদের কাছে হস্তক্ষেপ মনে হতে পারে।

সমালোচনায় ভেঙে পড়া

আপনার আয়োজন বা রান্না নিয়ে ছোট একটা নেতিবাচক মন্তব্যও পুরো দিনটা খারাপ করে দিতে পারে।

পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট

আপনার মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই মানুষের দিকে যায়। কোনো ঘরে ঢুকলে আপনি প্রথমে খেয়াল করেন কে খুশি, কে বিরক্ত, কাকে কেউ পাত্তা দিচ্ছে না। আলাপ হঠাৎ থেমে গেলে বা দুজনের মধ্যে চাপা টান টের পেলে আপনি প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দেন, চা আনতে বলেন, কিংবা চুপচাপ বসে থাকা কাউকে একটা প্রশ্ন করে আলোচনায় ঢুকিয়ে নেন। এই সংবেদনশীলতা আপনাকে যেকোনো দলের আঠা বানিয়ে দেয়। অফিসে নতুন কেউ এলে আপনিই তাকে দুপুরের খাবারে ডাকেন, ফ্ল্যাটে নতুন পরিবার উঠলে আপনিই প্রথম খোঁজ নিতে যান। পাড়ার কোনো বাসায় হঠাৎ বিপদ হলে কাকে খবর দিতে হবে, কার গাড়ি পাওয়া যাবে, সেটাও সম্ভবত আপনিই জানেন।

বিয়ে ও দাম্পত্য, পরিবার, ক্যারিয়ার, পড়াশোনা, চাপ সামলানো, ইন্টারভিউয়ের কৌশল আর কাদের সাথে মেলে

পড়তে লগইন করুন

আপনি কি সমন্বয়ক? ১০ মিনিটে নিশ্চিত হয়ে নিন।

শুরু করুন